16.4 C
Saidpur

সত্য প্রকাশে সাহসী

বুধবার, ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৬

রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও সংসদ সদস্য প্রার্থীদের অস্ত্রের লাইসেন্স দিতে নীতিমালা জা

চিকলী ডেস্ক নিউজ : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি এবং সংসদ নির্বাচনের প্রার্থীদের আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স ও সশস্ত্র রক্ষী (রিটেইনার) নিয়োগে একটি নীতিমালা জারি করেছে সরকার।

আজ সোমবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে ‘রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও জাতীয় সংসদ সদস্য পদপ্রার্থীদের অনুকূলে আগ্নেয়াস্ত্র লাইসেন্স ও রিটেইনার নিয়োগ নীতিমালা–২০২৫’ শিরোনামে এটি প্রকাশ করা হয়।

এতে বলা হয়েছে, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা, আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং নির্বাচনকালীন সহিংসতা প্রতিরোধের লক্ষ্যে এ নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে।

নীতিমালায় ‘রিটেইনার’ বলতে রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি বা কোনো প্রার্থীর ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য নিয়োগ ও অনুমোদিত সশস্ত্র ব্যক্তিকে বোঝানো হয়েছে। আর ‘রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ বলতে সরকার স্বীকৃত বর্তমান বা সাবেক উচ্চপর্যায়ের রাজনৈতিক ব্যক্তিকে বোঝানো হয়েছে।

আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স পেতে হলে আবেদনকারীকে সরকার স্বীকৃত রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হতে হবে, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে মনোনয়নপত্র দাখিল করতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের (গোয়েন্দা সংস্থাসহ) যাচাইকৃত নিরাপত্তাঝুঁকি বিদ্যমান থাকতে হবে।

এই নীতিমালার আওতায় আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স ইস্যুর ক্ষেত্রে মন্ত্রণালয়ের বিদ্যমান লাইসেন্স–সংক্রান্ত বিধান প্রযোজ্য হবে। তবে ব্যক্তিগত আয়কর পরিশোধ-সংক্রান্ত শর্ত শিথিল করা যেতে পারে।

নীতিমালার আওতায় প্রদত্ত লাইসেন্স নির্বাচন ফলাফল ঘোষণার দিন থেকে পরবর্তী ১৫ দিন পর্যন্ত বৈধ থাকবে। নির্ধারিত সময় শেষে লাইসেন্সটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে। তবে আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স–সংক্রান্ত নীতিমালার অন্যান্য শর্ত পূরণ হলে মন্ত্রণালয় এ সাময়িক লাইসেন্সকে সাধারণ লাইসেন্সে রূপান্তর করতে পারে।

এতে আরও বলা হয়েছে, প্রকৃত নিরাপত্তা ঝুঁকি থাকলেই কেবল রিটেইনার নিয়োগের অনুমোদন দেওয়া হবে।

কোনো রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি বা প্রার্থী লাইসেন্স পাওয়ার যোগ্য হলেও যদি আগ্নেয়াস্ত্র কিনতে অক্ষম হন বা আগ্রহী না হন, তবে তিনি আইনসম্মত লাইসেন্সধারী ও আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারে সক্ষম একজন রিটেইনার নিয়োগ দিতে পারবেন। এ ধরনের নিয়োগ লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে হবে।

রিটেইনার হওয়ার যোগ্যতার মধ্যে রয়েছে—বাংলাদেশি নাগরিক হওয়া, ন্যূনতম বয়স ২৫ বছর, কোনো অপরাধমূলক রেকর্ড না থাকা ও পুলিশ ক্লিয়ারেন্স থাকা এবং আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত হওয়া। অবসরপ্রাপ্ত সশস্ত্র বাহিনী বা বাংলাদেশ পুলিশের সদস্যদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

নীতিমালায় বলা আরও বলা হয়েছে, প্রতিটি রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি বা প্রার্থীর জন্য সর্বোচ্চ একজন রিটেইনার নিয়োগ দেওয়া যাবে এবং নির্ধারিত সময় শেষে রিটেইনারের নিয়োগের মেয়াদও শেষ হয়ে যাবে। রিটেইনারের নামে কোনো আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স ইস্যু করা হবে না। রিটেইনার কেবল আগ্নেয়াস্ত্র বহন করবেন এবং আগ্নেয়াস্ত্র–সংক্রান্ত সব দায়দায়িত্ব লাইসেন্সধারীর ওপর বর্তাবে।

এতে আরও বলা হয়, লাইসেন্সধারীদের আগ্নেয়াস্ত্র বহনের সময় লাইসেন্স ও অনুমোদনপত্র সঙ্গে রাখতে হবে। আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে কাউকে ভয়ভীতি প্রদর্শন বা হয়রানি করা যাবে না এবং নিরাপত্তা ছাড়া অন্য কোনো উদ্দেশ্যে এটি ব্যবহার করা যাবে না।

একইসঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কর্তৃক জারি করা যেকোনো নির্দেশনা লাইসেন্সধারীদের তাৎক্ষণিকভাবে পালন করতে হবে।
উৎস : দি ডেইলি স্টার বাংলা।

- Advertisement -spot_img

আরও খবর

আপনার মন্তব্য:

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

The reCAPTCHA verification period has expired. Please reload the page.

- Advertisement -spot_img

সদ্যপ্রাপ্ত

জাতীয়