চিকলী নিউজ : মেডিকেল কলেজে ভর্তি পরীক্ষার ফলাফলে এবারও নীলফামারীর সৈয়দপুর বিজ্ঞান কলেজের বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী চমক দেখিয়েছেন। প্রতিবছর এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী মেডিকেল, বুয়েটসহ বিভিন্ন উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তির সুযোগ পেয়ে আসছেন। এবারও বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী ভর্তির সুযোগ পেয়ে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন।
সরকারি-বেসরকারি এমবিবিএস-বিডিএসের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল রোববার (১৪ ডিসেম্বর) বিকেলে প্রকাশ করা হয়েছে।

সৈয়দপুর সরকারি বিজ্ঞান কলেজ থেকে প্রাপ্ত তথ্য- এ পর্যন্ত যারা উত্তীণ হয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন তারা হলেন- মাসুমা, বিভা ও দীপান্বিতা, সারিয়াহ সুমাইয়া ঢাকা মেডিকেল কলেজ। কাঙ্ক্ষিতা রায়, জিনিয়া সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ। সুমাইরা, ইসা, রাবেয়া, রাবিনা শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ। মৌলি রংপুর মেডিকেল কলেজ। আল আমিন, আনিকা জেরিন কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ, তাম্মি, ফাহমিদা রিজভী বিথি, শাহাজাদী জাকিয়া ফেরদৌসী- ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ। নয়নি, সাথী আক্তার, সাজেদুল হক শিহাব, মনন, তিশা, সাবিকুন নাহার মিম, আরিফ রংপুর মেডিকেল কলেজ। অপূর্ব ব্যানার্জি, সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ কিশোরগঞ্জ, আল আমিন-নোয়াখালী মেডিকেল কলেজ, তাসনিম জাহান স্বচ্ছ। টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ, আরাফাত রহমান। নওগাঁ মেডিকেল কলেজ, মুঞ্জেরিন রাজশাহী মেডিকেল কলেজ, প্রিয়ন্তি- সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ডেন্টাল ইউনিট ও মাহাবুবা বিনতে মাজিদ প্রিয়া- সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ডেন্টাল ইউনিট, রাবেয়া – চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ, শান্তা, নিরা- সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ, তাসমিয়া তাবাসসুম, মাহমুদুল প্রধান বাদশা, সানজিদা আক্তার সোমা, সানিয়া-দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ ও অনন্যা, নির্জরা সিংহ-রাজশাহী মেডিকেল কলেজ, তানজিমুল ইসলাম- চাঁদপুর মেডিকেল কলেজ।
এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে সূত্র জানিয়েছে। গেল বছর নীলফামারীর আলোচিত সৈয়দপুর সরকারি বিজ্ঞান কলেজের ৫৩ জন শিক্ষার্থী একসঙ্গে মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পান।
ফল প্রকাশের পর সৈয়দপুর সরকারি বিজ্ঞান কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, মেডিকেলে ভর্তির সুযোগ পাওয়া শিক্ষার্থীদের তালিকা সংগ্রহ করে এ পর্যন্ত ৪০ জনের নাম পেয়েছেন। এই নামের তালিকা আরও বাড়বে বলে মনে করছেন তিনি। ইতোমধ্যে প্রতিষ্ঠানটির সাফল্যে সবাই প্রশংসা করছেন।
শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের আন্তরিকতার কারণে এই ফল অর্জিত হয়েছে উল্লেখ করে অধ্যক্ষ আরও বলেন, গত বছর ৫৩ আগের বছর ৫২ জন বিভিন্ন মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন। এ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সুশৃঙ্খল পরিবেশ, পাঠদানে শিক্ষকদের আন্তরিকতা এবং কঠোর তদারকির ফলে প্রতিবছর আশানুরূপ ফল করছেন শিক্ষার্থীরা।
মূলত শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় প্রতিবছর মেডিকেল ও প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় ধারাবাহিক সফলতা ধরে রাখা সম্ভব হচ্ছে।


